টাইগার বার্ব ; ব্রিডিং
রঙ্গিন মাছের জগতে আরো একটি পরিচিত মাছের নাম হলো টাইগার বার্ব। ছোট সাইজের এই মাছ টি সচরাচর সব দোকানেই পাওয়া যায়। টাইগার বার্বের অন্যতম আর্কষণ হলো এরা দল বেধে সাতার কাটতে পছন্দ করে। আপনি চাইলে খু্ব সহজেই ব্রিডিং করতে পারেন এই মাছটি। ভূমিকা না বাড়িয়ে চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি।
#মেল ফিমেল চিনার উপায়;;
১।প্রাপ্ত বয়স্ক মেলের নাকে গারো লাল / কমলা রং দেখা যায়।
২।মেল ফিসের কালার অনেক গারো হয় যেখানে ফিমেলের কালার অতটা গারো নয়।
৩।ফিমেলের বডি মেলের তুলনায় চওড়া ও মোটা হয়।
৪।ফিমেলের কালারের তুলনায় মেলের কালার অনেক উজ্জ্বল হয়।
৫।মেলের পেটের নিচে ২ টি ফিন থাকে আর ফিমেলের মাত্র ১টি ফিন থাকে।
টাইগার বার্ব এর ন্যাচারাল ব্রিডি method :;
প্রথমেই আপনাকে একটি বড় ট্যাংক নিতে হবে যাতে কমপক্ষে ১০/১৫/২০ গ্যালন পানি রাখা যায়। খেয়াল রাখতে হবে মাছ যাতে ভালোভাবে সাতার কাটতে পারে। যেহেতু মাছগুলো সাতার কাটতে কাটতে ডিম ছাড়ে তাই বড় জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। ট্যাংকে পানি দেওয়ার পর এয়ারপাম্প দিতে হবে ।মাছের ডিম পারার জন্য পানিতে কচুরিপানা বা ডেন্সা বা যেকোনো ভাসমান লাইভ প্লান্ট দিতে হবে। লাইভ প্লান্ট দিতে না পারলে নাইলনের দড়ি ব্যবহার করতে পারেন। ট্যাংক প্রস্তুতের ১ দিন পর মাছ ছাড়তে পারবেন তাই ততক্ষণ এয়ারপাম্প চালিয়ে রাখবেন। তারপর আপনার ট্যাংক মাছ ছাড়ার জন্য তৈরী। ১টি ফিমেলের জন্য ২ টি মেল এই অনুপাতে মাছ রাখতে হবে।
এরপর অপেক্ষার পালা। ১-২ দিনের মধ্যে মাছ ডিম ছেড়ে দেয়।ডিম গুলো প্লান্টের গায়ে লেগে থাকতে দেখা যায়।
ডিম দেখার পর পানিতে মিথাইল ব্লু দিতে হবে। এরা সাধারণত ডিমের যত্ন নেওয়ার বদলে ডিম খেয়ে ফেলে। তাই ডিম ছাড়ার পর মাছ গুলো কে সরিয়ে ফেলতে হবে। এয়ারপাম্প যেন চালু থাকে এই বিষয় টি মাথায় রাখতে হবে।ডিম ছাড়ার পর জায়গাটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন সরাসরি আলো না পড়ে। ট্যাংকের তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে ডিম ফোটার সময়। সাধারণত ১৮ থেকে ২৬ ঘন্টার মধ্যে ডিম হ্যাচ হয়ে বাচ্চা বের হয়।
বাচ্চা হ্যাচ হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর বাচ্চা কে খাবার দিতে হবে। বাচ্চার জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার হলো ডাপনিয়া। বাচ্চা কে খুব মিহি ডাপনিয়া দিতে হবে।ব্রাইন shrimp এর egg হ্যাচ করে দিতে পারেন। মাঝে মাঝে প্যাকেট জাত খাবার গুড়া করে দিবেন। খেয়াল রাখবেন প্রোটিনের পরিমাণ যেন বেশি থাকে। চেষ্টা করবেন সপ্তাহে ৩০-৪০% পানি চেন্জ করতে হবে। কখনোই ওভার ফিড করবেন না বা বেশি খাবার দিবেন না এতে পানির কন্ডিশন খারাপ হতে পারে এবং আপনার মাছের মৃত্যুও হতে পারে। তাই পানির কন্ডিশন ঠিক রাখতে হবে।
তাই বাচ্চা গুলো কে বড় জায়গা দিতে হবে, পানির কন্ডিশন ঠিক মতো রাখতে হবে,প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার দিতে হবে।তাহলে আপনার মাছ গুলোর গ্রোথ আর কালার দুটোই ভালো হবে।
Happy fish keeping😊
রঙ্গিন মাছের জগতে আরো একটি পরিচিত মাছের নাম হলো টাইগার বার্ব। ছোট সাইজের এই মাছ টি সচরাচর সব দোকানেই পাওয়া যায়। টাইগার বার্বের অন্যতম আর্কষণ হলো এরা দল বেধে সাতার কাটতে পছন্দ করে। আপনি চাইলে খু্ব সহজেই ব্রিডিং করতে পারেন এই মাছটি। ভূমিকা না বাড়িয়ে চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি।
#মেল ফিমেল চিনার উপায়;;
১।প্রাপ্ত বয়স্ক মেলের নাকে গারো লাল / কমলা রং দেখা যায়।
২।মেল ফিসের কালার অনেক গারো হয় যেখানে ফিমেলের কালার অতটা গারো নয়।
৩।ফিমেলের বডি মেলের তুলনায় চওড়া ও মোটা হয়।
৪।ফিমেলের কালারের তুলনায় মেলের কালার অনেক উজ্জ্বল হয়।
৫।মেলের পেটের নিচে ২ টি ফিন থাকে আর ফিমেলের মাত্র ১টি ফিন থাকে।
#1
#2
টাইগার বার্ব এর ন্যাচারাল ব্রিডি method :;
প্রথমেই আপনাকে একটি বড় ট্যাংক নিতে হবে যাতে কমপক্ষে ১০/১৫/২০ গ্যালন পানি রাখা যায়। খেয়াল রাখতে হবে মাছ যাতে ভালোভাবে সাতার কাটতে পারে। যেহেতু মাছগুলো সাতার কাটতে কাটতে ডিম ছাড়ে তাই বড় জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। ট্যাংকে পানি দেওয়ার পর এয়ারপাম্প দিতে হবে ।মাছের ডিম পারার জন্য পানিতে কচুরিপানা বা ডেন্সা বা যেকোনো ভাসমান লাইভ প্লান্ট দিতে হবে। লাইভ প্লান্ট দিতে না পারলে নাইলনের দড়ি ব্যবহার করতে পারেন। ট্যাংক প্রস্তুতের ১ দিন পর মাছ ছাড়তে পারবেন তাই ততক্ষণ এয়ারপাম্প চালিয়ে রাখবেন। তারপর আপনার ট্যাংক মাছ ছাড়ার জন্য তৈরী। ১টি ফিমেলের জন্য ২ টি মেল এই অনুপাতে মাছ রাখতে হবে।
Loaded female
এরপর অপেক্ষার পালা। ১-২ দিনের মধ্যে মাছ ডিম ছেড়ে দেয়।ডিম গুলো প্লান্টের গায়ে লেগে থাকতে দেখা যায়।
ডিম দেখার পর পানিতে মিথাইল ব্লু দিতে হবে। এরা সাধারণত ডিমের যত্ন নেওয়ার বদলে ডিম খেয়ে ফেলে। তাই ডিম ছাড়ার পর মাছ গুলো কে সরিয়ে ফেলতে হবে। এয়ারপাম্প যেন চালু থাকে এই বিষয় টি মাথায় রাখতে হবে।ডিম ছাড়ার পর জায়গাটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন সরাসরি আলো না পড়ে। ট্যাংকের তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে ডিম ফোটার সময়। সাধারণত ১৮ থেকে ২৬ ঘন্টার মধ্যে ডিম হ্যাচ হয়ে বাচ্চা বের হয়।
বাচ্চা হ্যাচ হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর বাচ্চা কে খাবার দিতে হবে। বাচ্চার জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার হলো ডাপনিয়া। বাচ্চা কে খুব মিহি ডাপনিয়া দিতে হবে।ব্রাইন shrimp এর egg হ্যাচ করে দিতে পারেন। মাঝে মাঝে প্যাকেট জাত খাবার গুড়া করে দিবেন। খেয়াল রাখবেন প্রোটিনের পরিমাণ যেন বেশি থাকে। চেষ্টা করবেন সপ্তাহে ৩০-৪০% পানি চেন্জ করতে হবে। কখনোই ওভার ফিড করবেন না বা বেশি খাবার দিবেন না এতে পানির কন্ডিশন খারাপ হতে পারে এবং আপনার মাছের মৃত্যুও হতে পারে। তাই পানির কন্ডিশন ঠিক রাখতে হবে।
তাই বাচ্চা গুলো কে বড় জায়গা দিতে হবে, পানির কন্ডিশন ঠিক মতো রাখতে হবে,প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার দিতে হবে।তাহলে আপনার মাছ গুলোর গ্রোথ আর কালার দুটোই ভালো হবে।
Happy fish keeping😊











কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন